Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

 

state_minister_religious_affairs

মোঃ ফরিদুল হক খান এম.পি.

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

মো: ফরিদুল হক খান ২৪ নভেম্বর ২০২০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে  শপথ গ্রহণ করেন এবং ২৫ নভেম্বর ২০২০ তারিখে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।

 

মো: ফরিদুল হক খান এর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় নব্বইয়ের দশকে । তিনি ১৯৯০ সালে জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০৮ সালে ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি নবম জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদেও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৃতীয়বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দশম জাতীয় সংসদে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একাদশ জাতীয় সংসদেও তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি’র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় দুর্যোগ কমিটির সদস্য এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ভূমি বন্দোবস্ত ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

মো: ফরিদুল হক খান ১৯৫৬ সালের ০২ জানুয়ারি জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের উত্তর সিরাজাবাদ গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম হবিবর রহমান খান এবং মাতা মরহুমা মোছাম্মৎ ফাতেমা খানম।

 

মো: ফরিদুল হক খান এর পিতা মরহুম হবিবর রহমান খান ১৯৪৮ সাল হতে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৩ বছরে চার বার পলবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং পাকিস্তান আমলে বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা জুরি বোর্ডে সম্মানিত সদস্য ছিলেন।

 

মো: ফরিদুল হক খান জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এ সময় তিনি ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন । তিনি ছাত্রলীগের আদর্শিক কর্মী হিসেবে ৬৯ এর গণআন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে খাদ্য ও ঔষুধ সরবরাহের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এখানে উল্লেখ্য যে, ইসলামপুরের পলবান্ধা ইউনিয়নস্থ উত্তর সিরাজাবাদ ভাটিপাড়ায় সাড়ে নয় মাস অস্থায়ী মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের বাসস্থান, খাদ্য, ঔষধসহ সকল ভরণপোষণের ব্যয়ভার নির্বাহ করেন মো: ফরিদুল হক খানের পিতা ও চাচা। এছাড়াও তিনি সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। লেখাপড়া শেষে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। তিনি ২০০৩ সালের ১৭ জুন হতে ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ইসলামপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৫ সালের ২২ জানুয়ারি দলীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ইসলামপুর উপজেলা শাখার সভাপতি হয়ে অদ্যবধি দায়িত্ব পালন করছেন।

 

মো: ফরিদুল হক খান মেসার্স মো: ফরিদুল হক খান এর স্বত্ত্বাধিকারী। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাব এবং ঢাকাস্থ জামালপুর জেলা সমিতির আজীবন সদস্য। তিনি ২০১৪ সাল হতে অদ্যবধি জামালপুর জিলবাংলা সুগার মিলের আখচাষী কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১৬ সাল হতে বাংলাদেশ চিনিকল আখচাষী কল্যাণ ফেডারেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও ইসলামপুর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

মো: ফরিদুল হক খান ২০০৮-২০০৯ সালে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ঢাকা জেলা ৩১৫বি-৩ তে গভর্নরের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১০/১১/২০২০ তারিখে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছেন। তিনি বন্যা দুর্গত অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী, দুস্থ ও অনাথ ছেলে-মেয়েদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদানসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনি আদিবাসী, নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও দলিত সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

 

মো: ফরিদুল হক খান বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ। তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে দুবাই, ওমান, পানামা, ইরান, মিশর ও মালয়েশিয়া এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। তিনি ২০০৪ সালে সপরিবারে পবিত্র হজব্রত পালন করেন।

 

মো: ফরিদুল হক খান-এর স্ত্রী আফরোজা হক একজন গৃহিণী । তিনি দুই কন্যা এবং এক পুত্র সন্তানের জনক। বড় কন্যা ফারহানা হক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর-এর মৎস্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এর সহযোগী অধ্যাপক, ছোট কন্যা ফারজানা হক বি.এ একজন গৃহিণী। একমাত্র ছেলে মো: আসিক আরমান খান দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত।

 

বইপড়া, গাছ লাগানো, প্রিয়জনদের সাথে ভ্রমণ করা, দেশাত্মবোধক গান ও রবীন্দ্র সংগীত শোনা এবং বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করা তাঁর শখ।


Share with :

Facebook Facebook